ফেসবুক লাইট

ফেসবুক লাইট
ফেসবুক হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সামাজিক মাধ্যম। এর মাধ্যমে বিশ্বের সকল মানুষ একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে। ইন্টারনেট বা মোবাইল এমবি সহযোগিতায় ফেসবুক ব্যবহার করা যায়। শুধু যোগাযোগে বিদ্যমান নয় বর্তমানে ফেসবুকে ব্যবসাও করা যায়।

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সংযোজন, বার্তা প্রেরণ এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলী আদান প্রদান করতে পারেন। সেই সাথে একজন ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল-ভিক্তিক ভাবে নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারেন। সকল ভাষাভাষীর মানুষ এটি ব্যবহার করে মনেরভাব প্রকাশ করেন।

ফেসবুকের ইতিহাস
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় বর্ষের ছাত্র মার্ক জাকারবার্গ ২৮ অক্টোবর ২০০৩ সালে তৈরি করেন ফেসবুকের পূর্বের সাইট ফেসম্যাস। তিনি হার্ভার্ডের ৯ টি হাউস এর শিক্ষার্থীদের ছবি ব্যবহার করেন এবং দুইটি করে ছবি পাশাপাশি দেখানো হয় । তখন হার্ভার্ড সকল শিক্ষার্থীদের ভোট দিতে বলেছেন। তার জন্য মার্ক জাকারবার্গ হার্ভার্ডের সংরক্ষিত তথ্য কেন্দ্রে অনুপ্রবেশ বা হ্যাক করেন।

ফেসম্যাস সাইটে অনলাইনের মাধ্যমে ভোট দেন মাত্র ৪ ঘণ্টায় ৪৫০ ভিজিটর হয় ২২০০০ ছবিতে। এরপর ফেসবুক সাইট – টি ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ইং সালে প্রায় ১৭ বছর আগে প্রতিষ্ঠা হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ- ২০২১ এর তথ্য জানতে এখানে ভিজিট করুন

ফেসবুক লাইট কি
ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সুবিধার্তে ফেসবুক একটি নতুন সংস্করন করেন যার  নাম ফেসবুক লাইট। যারা সাশ্রয়ী মূল্যে ফেসবুক ব্যবহার করতে চান এটি তাদের জন্য। এটিতে ফেসবুকের মত সকল পরিষেবাও পাওয়া যায়।

ফেসবুক লাইট

সাশ্রয়ী দামের অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ও কম গতির ইন্টারনেটে চালানোর জন্য ফেসবুকের একটি নতুন সংস্করণ চালু হয় ২০১৫ সালে যা ফেসবুক লাইট নামে অভিহিত। আর সাম্প্রতিক সংস্করণটির ব্যবহারকারী ২০ কোটি ছাড়িয়েছে।

ফেসবুক অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণটির সঙ্গে তুলনা করে দেখ যায় যে ফেসবুক লাইট সংস্করণটি স্মার্টফোনে অনেক কম জায়গা নেয়। তাছাড়া ফোনে কম র‍্যাম থাকলে ও নেটের গতি কম থাকলেও এটি খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়।

তাই ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ ফেসবুকের এক পোস্টে ফেসবুক লাইট সম্পর্কে লিখেছেন যে, কম ব্যান্ডউইথের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য আমরা হালকা সংস্করণের একটি ফেসবুক তৈরি করেছিলাম। এখন এর ব্যবহার বিশ্বে ২০ কোটি মানুষ। খবরটি শুনে আমি আনন্দিত।

এরপর ফেসবুকের প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা শেরিল স্যান্ডবার্গ বলেন, অনেক এলাকায় নেটওয়ার্ক ধীর গতি থাকায় এটিতে ফেসবুকের সব ফাংশন সমর্থন করে না। যদি আপনি ফেসবুক লাইট ব্যবহার করে ফেসবুকের মূল অভিজ্ঞতা বিনিময় করা যায়। তবে কম ডেটা খরচ করে নিউজ ফিড পড়া যায়। ডায়েট সম্পর্কে জানতে এই লিংকে ভিজিট করুন

তারপর লাইট সংস্করণটিকে আরও উন্নত করেছে ফেসবুক। এতে এটি আরও দ্রুতগতিসম্পন্ন হয়েছে। ব্যবহারকারীরা গুগোল প্লে স্টোর থেকে এটি ডাউনলোড করে সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।বিভিন্ন নেটওয়ার্ক অবস্থার মধ্যে কাজ করে।

বর্তমানে ফেসবুক লাইট ব্যবহার করা আরও সহজ। কারন এটি এখন ফ্রি ব্যবহার করা যায়। ডাটা অন করে

প্রযুক্তি